কিন্নরকণ্ঠী নদী: Kinnarkanthi nodi

Front Cover

 নদী আর মানুষের জীবনের কী আশ্চর্য মিল! দুটোই স্বতত প্রবাহিত। অথচ আঁবেবাঁকে অনবরত পরিবর্তন ঘটে চলছে। কখনও গতির, কখনও বা রূপ-বৈচিত্র্যের। এ উপন্যাসে উঠে এসেছে দুই নারী চরিত্রের কথা। একজন অসামান্য আকর্ষণীয়, আরেকজন দশজনের ভিড়ে মিশে যাওয়া কেউ যাকে আলাদা করে চোখে পড়ে না। স্রোতস্বিনী জীবনের ধারার পথে তাদের মিল হয়,বন্ধুত্ব হয়। অলক্ষ্যে একজন আরেকজনের আনন্দ, হাসি, বেদনা, দুঃখ-সুখের প্রভাবক হয়ে উঠে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে। আরও আছে সুমনের মতো রোমিও, সুজনের মতো সুবিধাবাদী, আর রেজওয়ানের মতো আবেগপ্রবণ দেশপ্রেমিক পুরুষেরা। এরা কোনো না কোনোভাবে লাবণী আর হিয়ার জীবন-বলয়ে প্রোজ্জ্বল্যমান। তাদের উপস্থিতি ছাড়া ঘটনা এগোয় না। এছাড়াও প্রসঙ্গক্রমে এসেছে মানসিক রোগীদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি, আর্মি-সিভিলিয়ান দ্বন্দ্বের কথা।

পথের মাঝে নদী মিলে আবার আলাদা হয়ে যায়। যে যার নিজের ছন্দে অবধারিত মোহনার দিকে এগিয়ে চলে। সেই শেষটা কেমন?
নদী তার চলার পথ আর পরিণতির জন্য কতোটা দায়ী? আর নারী?
সারাটা পথ গুনগুন করে গান গেয়ে পথ চলা মন-আবেশী এক কিন্নরকন্ঠী নদীর জীবন কী আমরা পেতে পারি না?
 

What people are saying - Write a review

We haven't found any reviews in the usual places.

Contents

Section 1
Section 2
Section 3
Section 4
Section 5
Section 6
Section 7
Section 8
Copyright

Common terms and phrases

অনেক অন্য আগে আছে আজকে আবার আমরা আমাকে আমাদের আমার আমি আর আরও আসলে উঠল উঠে উপর এই এক একজন একটা একটু এখন এটা এতো এর এরকম এল এসে ওর ওরা কখনও কথা করছে করতে করল করা করার করে কাছে কাজ কি কিছু কিন্তু কেউ কেন কোথায় কোন খুব গিয়ে গেছে গেল গেলে চলে ছিল জন্য জীবনে ঠিক ঢাকা তখন তবে তা তাই তাকিয়ে তাকে তাদের তার তারপরও তাহলে তুই তুমি তো তোমাকে তোমার তোর থাকে থেকে দিকে দিতে দিয়ে দিল দেখতে দেখা দেখে না নাকি নিজেকে নিজের নিয়ে নেই পর পরে পর্যন্ত পারে প্রায় ফোন বড় বলতে বলল বলে বাইরে বাবা বাসায় বিয়ে বুঝতে বেশ বেশি ব্যাপারে ভালো মতো মধ্যে মনে মনে হয় মেয়ে যখন যদি যাওয়ার যাচ্ছে যাবে যায় যে যেতে যেন লাবণী লাবণীকে শুধু শুরু শেষ সব সময় সাথে সুন্দর সুমন সুমনের সে সেই সেখানে সেটা হচ্ছে হঠাৎ হতে হবে হয়ে হলো হাসান হাসানকে হাসানের হিয়া

Bibliographic information